স্থানীয় খবর

বগুড়ায় করোনায় দুই নার্স সহ আরও ১১জন আক্রান্ত

Spread the love

স্টাফ রিপোর্টার: বগুড়ায় করোনার সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। মঙ্গলবার নতুন করে আরও দুই নার্স সহ মোট ১১জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬ জনই বগুড়া সদরের বাসিন্দা। বাকি ৫ জনে বাড়ি জেলার কাহালু, ধুনট, শাজাহানপুর, শিবগঞ্জ ও সোনাতলা উপজেলায়। আক্রান্তদের বয়স ১৯ থেকে ৫১ বছর। বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন মঙ্গলবার রাত ৯টায় এসব তথ্য দিয়ে জানান, তাদের নমুনা ২৩ ও ২৪ মে সংগ্রহ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আক্রান্ত ১১জনের মধ্যে একজন ছাড়া সবাই ঢাকাফেরত।
বগুড়ায় গত ১ এপ্রিল প্রথম রংপুরের এক বাসিন্দা কোভিড-১৯ পজিটিভ হন। তারপর থেকে একে একে পুলিশ, চিকিৎসক, নার্স ও রাজনীতিবিদসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ সংক্রামক ওই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার আক্রান্ত ১১জনকে নিয়ে জেলায় মোট ১৯০জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। তাদের মধ্যে ১৬জন সুস্থ হলেও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এখন জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৭৩জন। আগের দিন সোমবার জেলায় আটজনের করোনায় শনাক্তের কথা জানিয়েছিল বগুড়া জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর।
মঙ্গলবার বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে বগুড়ার ৯০টিসহ মোট ৯৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। বাকি ৪টি পাশের জেলা জয়পুরহাটের নমুনা ছিল।বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন জানান, আক্রন্ত ১১জনের মধ্যে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২ নার্স রয়েছেন। তাদের একজনের বাড়ি বগুড়া শহরের নিশিন্দারা এলাকায় এবং আরেকজন শাজাহানপুর উপজেলাধীন শহরের শাকপালা এলাকায় বসবাস করেন। এছাড়া বগুড়া সদর উপজেলার অন্য ৫ জনের মধ্যে শহরের ঠনঠনিয়া, রহমাননগর, নাটাইপাড়া, মালগ্রাম দক্ষিণপাড়া ও পালশার একজন রয়েছেন। বাকি ৩জনের মধ্যে জেলার সোনাতলা উপজেলার চরপাড়া, শিবগঞ্জের মোকামতলা, ধুনটের চিকাশি ও কাহালু উপজেলার পীর বকুলতলার একজন রয়েছেন।
ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন জানান, শহরের রহমাননগরের আক্রান্ত ব্যক্তি স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আক্রান্তদের প্রত্যেককে আপাতত তাদের নিজ নিজ বাড়িতে রেখেই চিকিৎসা দেওয়া হবে। অবশ্য যদি প্রয়োজন পড়ে তাহলে তাদেরকে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে নেওয়া হবে।’

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
Close