স্থানীয় খবর

বগুড়ায় বজ্রপাতে ৪ কৃষক নিহত

Spread the love

স্টাফ রিপোর্টার: বজ্রপাতে বগুড়ার ৪ উপজেলায় মাত্র দেড় ঘন্টার ব্যবধানে চার কৃষক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটা থেকে বিকেল ৪ টার মধ্যে কাহালু, শাজাহানপুর, সারিয়াকান্দি ও ধুনট উপজেলায় বজ্রপাতে বেশ কয়েকজন আহতও হয়েছেন। তবে তাদের মধ্যে একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতরা হলেন- কাহালু উপজেলার মালঞ্চা ইউনিয়নের এরুইল গ্রামের কছির উদ্দিনের ছেলে মোখলেছার রহমান (৫৫), শাজাহানপুর উপজেলার খরনা ইউনিয়নের হরিণগাড়ি গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে নুরুল ইসলাম (৪০), সারিয়াকান্দি উপজেলার হিন্দুকান্দি গ্রামের বুলু মণ্ডলের ছেলে লেবু মিয়া (৩৫) ও ধুনট উপজেলার গোপালনগ নগর গ্রামের দেরাজ আলীর ছেলে আব্দুস সালাম সরকার (৪৫)।
আহতদের মধ্যে কাহালুর মালঞ্চা ইউনিয়নের এরুইল গ্রামের হাসান আলীকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

কাহালু উপজেলার মালঞ্চা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মর্জিনা বেগম জানান, জমি থেকে কেটে আনা বোরো ধান ৬ জন কৃষক বৃহস্পতিবার দুপুরে এরুইল গ্রামের স্থানীয় স্কুলের পাশে শুকাতে দিয়েছিলেন। দুপুর সোয়া ২ টার দিকে আকাশ মেঘে ঢেকে গেলে তারা দ্রুত ধানগুলো তুলে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। দুপুর আড়াইটার দিকে হঠাৎ ঝড়ো বাতাসের সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হয়। তাদের মধ্যে বিকট শব্দে বজ্রপাতে মোকলেছার রহমান নামে এক কৃষক ঘটনাস্থলেই মারা যান। হাসান আলী ও আবু রায়হান আহত হন। পরবর্তীতে হাসান আলীকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
শাজাহানপুর উপজেলার খরনা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাজেদুর রহমান সাহিন জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে হরিণগাড়ি গ্রাম সংলগ্ন মাঠে একদল কৃষক কাজ করছিলেন। তাদের মধ্যে বেলা ৩ টার দিকে বজ্রপাতে নুরুল ইসলাম নামে একজনের মৃত্যু হয়। সারিয়াকান্দি থানার ওসি আল-আমিন জানান, উপজেলার কুড়িপাড়া চরের মাঠে অন্যদের সঙ্গে লেবু মিয়া নামে এক কৃষক কাজ করছিলেন। সাড়ে ৩ টার দিকে হঠাৎ বজ্রপাত শুরু হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

অন্যদিকে ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা জানান, আব্দুস সালাম নামে এক কৃষক তার গরুগুলোকে ঘাস খাওয়ানের জন্য বাড়ির পাশে মাঠে নিয়ে যান। বেলা ৪ টার দিকে বৃষ্টি শুরু হলে তিনি গুরুগুলোকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তিনি যখন গোপালনগর ইউনিয়নের মহিশুরা-সাতটিকরী পাকা সড়কের দেউড়িয়া সেতু পার হচ্ছিলেন তখনই বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
Close