বিদেশের খবর

ভারত চীন সীমান্তে প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা অনেক বেশি: এএনআই

Spread the love

শেরপুর ডেস্ক: লাদাখ সীমান্তে সোমবার রাতে ভারত ও চিনের সেনা সংঘর্ষে প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা অনেক বেশি বলে দাবি জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা এএনআই।
মঙ্গলবার এএনআই জানায়, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে মাত্র ৩ জন ভারতীয় সেনা মারা যাওয়ার খবর আসলেও প্রকৃতপক্ষে ২০জন ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছেন এবং ৪৩ জন চীনা সেনা নিহত নাহয় গুরুতর আহত হয়েছেন।
আনন্দবাজার পত্রিকায় বলা হয়, ভারতীয় সেনাকে উদ্ধৃত করে এএনআই জানিয়েছে, সোমবার রাতের সংঘর্ষে তিন জন ভারতীয় সেনা নয়, কমপক্ষে ২০ জন নিহত হয়েছেন। অন্য দিকে, সরকারি সূত্রকে উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, চিনা বাহিনীরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এএনআই-এর দাবি, চিনা বাহিনীর অন্তত ৪৩ জন নিহত নয়তো গুরুতর আহত।
পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় পয়েন্ট ১৪ তে সোমবার রাতে সীমান্তরক্ষীদের সংঘর্ষ হয়। খবরটি পরদিন প্রকাশ্যে আসে। সেনা সূত্র জানায়, ওই সংঘর্ষে, ১ জন কর্নেল-সহ ভারতীয় তিন জন সেনা নিহত হয়েছেন। অপরদিকে একাধিক সংবাদমাধ্যমের দাবি, চিনের অন্তত পাঁচ জন সেনা নিহত হয়েছেন ওই রাতে।
কিন্তু সন্ধ্যার পর থেকেই পরিস্থিতি বদলাতে থাকে।
ভারতীয় সেনা সূত্রকে উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, সোমবার রাতে সংঘর্ষে আরও ১৭ জন ভারতীয় সেনা গুরুতর আহত হয়েছিলেন। যারা হিমাঙ্কের নিচে তাপমাত্রায় খোলা আকাশের নীচে দীর্ঘক্ষণ অবস্থানের কারনে মৃত্যুবরণ করেন। সংবাদ সংস্থা এএনআই আরও জানান, ওই সংঘর্ষস্থল থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর পিছু হটেছে দু’পক্ষই।
সন্ধ্যায় ভারতের বিদেশ মন্ত্রনালয়ের এক মুখপাত্র সংঘর্ষের কথা স্বীকার করে বলেন, চিনা বাহিনী বিনা প্ররোচনায়, একতরফা ভাবে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার স্থিতাবস্থা ভাঙার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ শুরু হয়। ওই বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সংঘর্ষে দু’পক্ষের সেনাই হতাহত হয়েছেন। তবে ওই বিবৃতিতে হতাহত সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বিবৃতি প্রকাশের কথা রয়েছে বলে একটি সুত্র জানিয়েছে।
এ দিন, ভারতের চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত ও তিন বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। লাদাখ পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীকে রিপোর্ট দেন প্রতিরক্ষামšী।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close