বিদেশের খবর

সূর্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে পৃথিবী থেকে করোনার বিদায়! ড.কে এল কৃষ্ণা

Spread the love


শেরপুর ডেস্ক: চীনের উহান শহর থেকে বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে প্রতিদিন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছেই। ভাইরাসটিতে এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ৪৫ হাজার ৯৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ৮২ লাখ ৫৬ হাজার ৭২৫ জন। বিজ্ঞানীদের ঘাম ঝরছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত ভাইরাসটির কোনো কার্যকর ওষুধ আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি।
ভাইরাসটির উৎপত্তি কীভাবে হলো তা নিয়ে বিশ্বের প্রখ্যাত সব বিজ্ঞানী এবং ভায়োরোলজিস্টরা গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। কেউ বলছেন রাসায়নিক গবেষণাগারে তৈরি হয়েছে করোনা জৈব মারণাস্ত্র। আবার কেউ বলছেন প্রাকৃতিকভাবে এই ভাইরাসের জন্ম।

দু’পক্ষের যুক্তি তর্কের মধ্যে এবার চাঞ্চল্যকর দাবি করে বসলেন ভারতের চেন্নাইয়ের এক বিজ্ঞানী। বললেন, কোন গবেষণাগার কিংবা পরিবেশ নয়, কোভিড-১৯ এর জন্ম রহস্যের সঙ্গে সূর্যগ্রহণের যোগাযোগ রয়েছে। তার এমন দাবিতে নড়েচড়ে বসেছে বিজ্ঞানীমহল। কবে এই ভাইরাসের দাপট শেষ হবে, তা নিয়েও আভাস দিয়েছেন এই বিজ্ঞানী।
পারমানবিক ও ভূ-বিজ্ঞানী ড.কে এল সুন্দর কৃষ্ণা চেন্নাইয়ের বাসিন্দা। তার দাবি, করোনা ভারাসের সঙ্গে সূর্যগ্রহণের যোগসূত্র রয়েছে। এই জীবাণুর উৎপত্তি কোন রাসায়নিক ঘটনা নয় বরং মহাজাগতিক ঘটনার ফলাফল এই মহামরি। মহাকাশ থেকেই এসেছে এই মরণ ভাইরাস। গত বছর ডিসেম্বরের শেষের দিকে চীনের উহান শহরে প্রথম করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের খবর মেলে।
বিজ্ঞানী কৃষ্ণার দাবি, ২৬ ডিসেম্বর ছিল সূর্যগ্রহণ। তারপর থেকেই এমন একটা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল। সূর্যগ্রহণের সময় পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের স্তরে রাসায়নিক বদল হয়েছিল। তার থেকে এই ভাইরাসের জন্ম। আবার পরবর্তী সূর্যগ্রহণের সঙ্গে সঙ্গেই পৃথিবী থেকে এই করোনা ভাইরাস বিলীন হয়ে যাবে। তার কথায়, আগামী ২১ জুন একই সঙ্গে সূর্যের বলয়গ্রাস ও পূর্ণগ্রাস গ্রহণ হবে। সেদিনই এই জীবাণুর দাপট শেষ হবে।
ড. কৃষ্ণা নিজের তত্ত্ব দিয়ে এর ব্যাখ্যা করেছেন। তার কথায়, সূর্যগ্রহণের সময় পৃথিবীর বায়ূমন্ডলে তড়িতাহত কণাদের মধ্যে এক বড়সড় রাসায়নিক বদল হয়েছিল। এমন এক বায়ো-নিউক্লিয়ার রিঅ্যাকশন যার কারণে নিউট্রনের বদল শুরু হয়। এমন এক পরিস্থিতিতে তৈরি হয়, তাতেই করোনা ভাইরাসের নিউক্লিয়াস তৈরি হয়। এই বায়ো-নিউক্লিয়ার ইন্টারঅ্যাকশনই ভাইরাস তৈরির অন্যতম কারণ। এই স্তরটিকে বলা হয় ‘ডি-লেভেল’। তবে এই স্তরে কীভাবে ভাইরাস তৈরি হতে পারে তার কোন ধারণাই দিতে পারছেন না বিজ্ঞানীরা। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close