স্থানীয় খবর

শেরপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস চত্বরে অবৈধ স্থাপনা নির্মানের অভিযোগ

Spread the love


ষ্টাফ রির্পোটার: বগুড়ার শেরপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস চত্বরে ব্যক্তি বিশেষের অবৈধ স্থাপনা নির্মানের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সরকারি সম্পত্তিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মান ও জন চলাচলে সংকট সৃষ্টি হওয়ার আশংকায় বাঁধা সৃষ্টি করলে সাব-রেজিস্ট্রার মো: সাজেদুল হককে হুমকি দিয়েছেন স্থানীয় একজন বি.এন.পি নেতা। এ বিষয়ে শেরপুর থানায় কতিপয় প্রভাবশালী দলিল লেখকদের বিরুদ্ধে মৌখিক অভিযোগ দিয়েও মিলছেনা কোন সুরাহা। থানা পুলিশ অবৈধভাবে ঘর নির্মাণ বন্ধ করে দিলেও অজ্ঞাত কারণে থেমে নেই ঘর নির্মাণের কাজ।

অন্য দিকে অনিয়ম নিয়মে পরিণত হওয়ায় সাব-রেজিস্ট্রার তথা দলিল লেখক সমিতির পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়নি জোরালো কোনো পদক্ষেপ।
জানা যায়, সরকারি বিধিমতে কোন সরকারি অফিস চত্ত্বরে ব্যাক্তিগতভাবে কোন স্থায়ী বা অস্থায়ী ঘর নির্মাণের সুযোগ নেই। এমন নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্বেও শেরপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কতিপয় দলিল লেখক তাদের নিজেদের সুবিধার্থে স্থায়ী ঘর নির্মাণ করে যাচ্ছেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, দলিল লেখক সমিতির মাধ্যমে সাব-রেজিস্ট্রার ও অন্যান্যদের জন্য প্রতি লাখ টাকার বিপরিতে আদায়কৃত ৫০০ শত টাকা সপ্তাহে দুই দিনে বন্টন করা হয় যা দলিল লেখক সমিতির সঙ্গ ছাড়া পাওয়া সম্ভব নয়। তাই সবদিক বিবেচনায় উক্ত অবৈধ নির্মান কাজে বাঁধা দিতে বা জোরালো কোনো ভূমিকা রাখতে পারেননি সাব-রেজিস্ট্রার মো: সাজেদুল হক।
সরেজমিনে ১৭ জুন বুধবার শেরপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে দেখা যায়, রেজিস্ট্রি অফিস চত্ত্বরের উত্তরগেটের খালি জায়গায় মুজিব জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে লাগানো বেশ কয়েকটি গাছ কর্তন করে দলিল লেখক সমিতির উপদেষ্টা স্থায়ী ঘর নির্মাণকাজ শুরু করেছেন। এর প্রেক্ষিতে সাব-রেজিস্ট্রার সাজেদুল হক ওই নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দিয়ে থানা পুলিশকে অবগত করেন। থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়। এতে কতিপয় দলিল লেখক যোগসাজষ করে প্রভাবশালী এক নেতার মধ্যস্থতায় পুনরায় নির্মাণ কাজ অব্যাহত রাখেন। অফিস চত্ত্বরে সরকারিভাবে বিধি নিষেধ থাকা সত্বেও প্রভাব খাটিয়ে ঘর নির্মাণ করায় অনেকেই একই কায়দায় জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণ শুরু করেছেন।
এ ব্যাপারে শেরপুর উপজেলা দলিল লেখক সমিতি’র সভাপতি এস এম ফেরদৌসের সাথে কথা বললে তিনি জানান, সাব-রেজিষ্টারের অনুমতি নিয়েই সবাই ঘর তুলছে। এ প্রসঙ্গে সাব-রেজিস্ট্রার সাজেদুল হক সাংবাদিকদের বলেন, অফিস চত্ত্বরে ব্যক্তি উদ্যোগে অস্থায়ীভাবে ঘর নির্মাণ করা যাবে, তবে স্থায়ী ইমারত গড়া যাবেনা।
এ ব্যাপারে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: হুমায়ন কবিরের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন ঘটনাটি মৌখিকভাবে জানার সেখানে পুলিশ পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছিলাম। পরে আর কেউ কিছু জানায়নি। এখন সাব-রেজিষ্টারের সাথে কথা বলে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close