স্থানীয় খবর

নন্দীগ্রামে বৃষ্টির অভাবে চৌচির আমন ক্ষেত

Spread the love

নন্দীগ্রাম (বগুড়া)প্র্রতিনিধি:
বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় ও পৌর এলাকায় প্রচন্ড খরা হওয়ার কারনে হুমকির মুখে পড়েছে আমন চাষীরা। দেখা দিয়েছে ফলন বিপর্যয়ের শঙ্কা। আমন ধান রোপনের পর সময় মত বৃষ্টি হলেও বর্তমানে জমির পানি শুকিয়ে মাটি ফেটে সাদা চৌচির হয়ে গেছে এর ফলে কৃষকরা দিশাহারা হয়ে পড়েছে। এদিকে ধানের দাম কম ও অতি খরা হওয়ার কারনে আউশ মৌসমে কৃষকরা খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি । বর্তমানে দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টি না হওয়ার কারনে কৃষকরা সেচ দিয়ে আমন ধান বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করছে।
কিন্তু আউশ এর জমির ধান কটার পর বৃষ্টি না হওয়ায় কৃষকরা সেচ দিয়ে ধানের চারা রোপন করলেও বর্তমানে সেসব ধানের জমির পানি শুকিয়ে যাওয়ার কারনে কৃষকরা চরম বিপাকে পড়েছে। যে কৃষকদের মাঠে সেচের ব্যাবস্থা আছে তারাই শুধু আমন ধান কোন রকমে বাঁচিয়ে রাখতে পারছে । আবার অনেক কৃষককে শ্যালো মেসিন থেকে ৫শ টাকা বিঘা পানি নিয়ে ধান রা করতে হচ্ছে । এমন অবস্থায় পানি সেচের অভাবে আমন ধানের ফলন বিপর্যয় হতে পারে ।
কৃষক জয়নাল ,জামাল, মুনছুর, মুসা সহ অর্ধ শত কৃষকের সাথে আলাপ করলে জানা যায় বর্ষাকালিন সময়ে আমন ধান নন্দীগ্রাম উপজেলার কৃষকদের জন্যে একটি লাভ জনক ফসল । এই ধান আবাদ করতে ইরি বোরো ধনের চেয়ে অনেক কম খরচ হয় ফলে আমন ধান আবাদ করতে পারে । সব মিলিয়ে আমন ধান নন্দীগ্রাম কৃষকদের জন্যে লাভজনক একটি ফসল কিন্তু চলতি মৌসমে অতি খরা হওয়ার কারনে আমন ধান নিয়ে তারা বিপাকে পড়েছে।
অনেকে অভিযোগ করে বলেন, এ এলাকায় অনেক গভীর নলকুপ রয়েছে কিন্তু তারা এখনও মেসিন চালু না করায় কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। অন্যদিকে ধানের বয়স দিনদিন বেড়েই চলেছে ইতিমধ্যেই ধান গোর গামর হতে শুরু করেছে। আবার অনেক আগাম জাতের ধানের শীষ বের হয়েছে এসব জমিতে পানি না থাকায় এসব ধান পুষ্ট হতে না পেরে চিটার পরিমান বেশি হবে ফলে ফলন অনেক কমে যাবে। এ নিয়ে অনেকটা সমস্যার মধ্যে দিয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে তাদের।
চলতি বছরে আমন ধানের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে ১৯ হাজার ১শ ১৮হেক্টর। কৃষকরা এবার জমিতে ব্রিধান-৪৯, বিনা-৭, কাটারিভোগ ও স্বল্প পরিমান জমিতে মিনিকেট জাতের ধান রোপন করা হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকতা মুহা. মশিদুল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই প্রতিনিধিকে জানান, ধান রা সহিষ্ণু, ফলে কিছু দিন জমিতে পাানি না থাকলেও ধানের কোন তি হওয়ার সম্ভাবনা নাই।এছাড়াও কৃষকদের পানি সেচ দেওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close