দেশের খবর

নুহাশপল্লীতে শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় হুমায়ূন আহমেদকে স্মরণ

Spread the love

শেরপুর ডেস্ক: পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহাপাঠ, কবর জিয়ারত ও মোনাজাত- বুধবার দিনের শুরুতে নুহাশপল্লীতে সাদামাটা এমন কর্মসূচি ছিল বাংলা সাহিত্যের বরপুত্র হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিনে। পরিবারের সদস্য ও পুরোনো কর্মচারী ছাড়া আর তেমন কেউ ছিলেন না। কিন্তু বেলা গড়াতে বাড়তে থাকে প্রকাশক, ভক্ত-অনুরাগীদের ভিড়।
দুপুরের আগে আসে যেন মানুষের ঢল নামে সেখানে। অনেকে প্রিয় লেখকের ৭১তম জন্মদিন উপলে সমাধীতে শ্রদ্ধা, তাঁর রচিত গান, নাটক-সিনেমা এবং সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য দিক নিয়ে আড্ডার আয়োজন করেন। কেউ কেউ নুহাশপল্লীর লীলাবতি দিঘি, বৃষ্টি বিলাশ, ভূত বিলাশ, পদ্মপুকুর এবং হুমায়ূন আহমেদের লাগানো ওষধি বাগানে ঘুরে তাঁর সান্নিধ্য উপভোগ করেছেন।
জানা গেছে, বুধবার রাত ১২টা ০১ মিনিটে হাজার মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে পুরো নুহাশপল্লী আলোকিত করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ভোরপাঁচটার দিকে স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন ছেলে নিষাদ ও নিনিতকে নিয়ে নুহাশপল্লীতে আসেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি দুই ছেলেকে নিয়ে হুমায়ূন আহমেদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং কবরের পাশে ফাতেহাপাঠ, কবর জিয়ারত ও মোনাজাত করেন। এ সময় নুহাশপল্লীর কর্মচারী ও অসংখ্য হুমায়ূন ভক্তরা উপস্থিত ছিলেন।
নুহাশপল্লীতে আসলে হুমায়ূন আহমেদ যে বাড়িটিতে থাকতেন তার নাম ‘হোয়াইট হাউস’। মৃত্যুর পর হোয়াইট হাউসের সামনেই স্থাপন করা হয়েছে হুমায়ূন আহমেদের ম্যুরাল। কবর জিয়ারত শেষে সেই ম্যুলালের সামনে আপেল তলায় হুমায়ূন আহমেদের ৭১তম জন্মদিনের কেক কাটেন লেখকের দুই শিশু পুত্র নিষাদ (১১) ও নিনিত (৯)। নুহাশপল্লীর সমস্ত ভাস্কর্য নির্মাণ করেছিলেন ভাস্কর আসাদ খান। প্রিয় স্যারের জন্মদিন উপলে ভাস্কর আসাদ খান নূহাশপল্লীতে তাঁর একক শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর আয়োজন করেন। কাঠ দিয়ে তৈরি তাঁর ৭১টি শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে স্থান পায়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close