স্থানীয় খবর

শেরপুরে কলেজ রোড-মুরাদপুর সড়কের বেহাল অবস্থা

Spread the love


শেরপুর ডেস্ক ঃ বগুড়ার শেরপুরের কলেজরোড থেকে গোসাইবাড়ী টুনিপাড়া হয়ে নন্দীগ্রামের মুরাদপুর পর্যন্ত এই ৯ কিলোমিটার এই সড়কের বর্তমানে বেহাল অবস্থা। বিভিন্ন জায়গায় কার্পেটিং উঠে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে সড়কের একাধিক স্থানে ইট, পিচ ও খোয়া উঠে বড় বড় গর্ত তৈরী হওয়ায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এছাড়া বৃষ্টি হলেই ওইসব গর্তে পানি জমে ডোবায় রুপ নেওয়ায় সড়কটি যেন মরণফাঁদে পরিনত হয়েছে। এরপরও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেকটা বাধ্য হয়েই সড়কটি দিয়ে চলাচল করছেন প্রায় অর্ধলাখ মানুষ।
রাস্তার অবস্থা বেহালের কারণে প্রায়ই ঘটছে ছোট-বড় সব দুর্ঘটনা। তাছাড়া সড়কটির বেহালদশার কারণে যানবাহন চলাচল ব্যহৃত হচ্ছে। এমনকি ভাঙাচোরা সড়কে চলাচলরত যানবাহন সড়কেই বিকল হয়ে পড়ায় যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে পরিবহনের যন্ত্রাংশ। তাই আধা ঘন্টার পথ পাড়ি দিতে লাগছে তিন থেকে চার ঘন্টা। সেইসঙ্গে যানবাহনগুলোতে ভাড়া নেওয়া হচ্ছে দ্বিগুণ। তাছাড়া এই এলাকাটির অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি কৃষি। কৃষি নির্ভর এই এলাকার কৃষকরা তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। এমনকি ন্যায্য দামও পাচ্ছেন তারা। কৃষিপণ্য পরিবহন করতেও গুণতে হচ্ছে দ্বিগুণ ভাড়া। সবমিলিয়ে এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষকে পোহাতে হচ্ছে সীমাহীন দুর্ভোগ।
উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, শেরপুর কলেজরোড টু মুরাদপুর পর্যন্ত সড়কটি নয় কিলোমিটার। সর্বশেষ বিগত ২০১৪সালে এই পাকা সড়কের সংস্কার করা হয়। তবে বছরখানেক আগে ওই সড়কের কলেজরোড থেকে শুরু হয়ে মাত্র এক কিলোমিটার নতুন করে কার্পেটিং করা হয়েছিল বলে সূত্রটি জানায়। এই সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কুসুম্বী ইউনিয়ন পরিষদে যাওয়ার একমাত্র পথ এটি। সেইসঙ্গে অন্তত চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, একটি হাট ও দুইটি বাজারে আসা-যাওয়ার মাধ্যম এই সড়ক।
কুসুম্বী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহ আলম পান্না বলেন, বেহাল এই সড়কটির অবস্থা উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে। এরইমধ্যে বর্ষা চলে এসেছে। আসলেই সড়কটির অবস্থা খুবই নাজুক। চলাচল করা কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। জনদুর্ভোগ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।
উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারি প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাক জানান, ইতিমধ্যে সড়কটি সংস্কারের জন্য তাদের ঊর্ধ্বতন দপ্তরে ফাইল পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বগুড়া ও ঢাকার স্যারদের সঙ্গে একাধিকবার কথাও বলেছেন। দ্রুততম সময়ের মধ্যেই সড়কটি সংস্কারে বরাদ্দ আসবে এবং কাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close