স্থানীয় খবর

বগুড়ায় আ.লীগ নেতা রকি হত্যাকাণ্ডের মূল আসামীসহ গ্রেফতার ৭

Spread the love


শেরপুর ডেস্ক: বগুড়ায় চাঞ্চল্যকর আওয়ামী লীগ নেতা মমিনুল ইসলাম রকি (৩৭) হত্যাকান্ডে বিদেশী পিস্তল ও গুলি সহ ৭ আসামীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। র‌্যাব-১২ বগুড়া শুক্রবার দিবাগত রাতে রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলা ও বগুড়ার ফাঁপোড় ইউনিয়নে পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- রকি হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত গাউসুল আজম (২৮), ফুয়াদ হাসান মানিক (২৯) সহ মেহেদী হাসান (১৮), আলী হাসান (২৮), আরিফুর হাসান (২৮),ফজলে রাব্বী (৩০) ও আব্দুল আহাদ (২০)।
র‌্যাব প্রথমে রংপুর এজাহারভুক্ত আসামী মেহেদী সহ ৫জনকে গ্রেফতার করলে পরে তাদের দেওয়া তথ্য মতে হত্যাকান্ডের মূল আসামী গাউসুল ও মানিককে গ্রেফতার করে।
ওই সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, তিন রাউন্ড গুলি ও একটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়। র‌্যাবের দাবি উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলো রকি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়।
দুপুর ১২ টায় র‌্যাব-১২ বগুড়া কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে কোম্পানী কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন সাংবাদিকদের জানান, সামনে ইউনিয়ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হওয়াই কাল হয়েছিল রকির৷
অভিযুক্তদের ধারণা ছিল রকি চেয়ারম্যান হলে এলাকায় তাদের মাদক বাবসাসহ সব অবৈধ কাজ বন্ধ হয়ে যাবে৷ এজন্য গাউসুল ও মানিক তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। তার পরিপ্রেক্ষিতে এলাকায় গড়ে উঠা নিজস্ব বাহিনী দ্বারা রকিকে কুপিয়ে হত্যা করে তারা।
তিনি আরও জানান, আমাদের নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে গত মঙ্গলবার রাত আনুমানিক সোয়া ৯টার দিকে শহরতলীর ফাঁপোড় ইউনিয়নের হাটখোলা এলাকায় রকিকে গাউসুলের নেতৃত্বে পূর্ব শত্রুতার জেরে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওই সময় কিলিং মিশনে অংশ নেন এজাহারে নাম থাকা অভিযুক্ত ১০জন সহ আরও ১০ থেকে ১২ জন। তারা প্রত্যেকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে নিহতের সারা শরীরে উপর্যপুরী কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে।
শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) ময়নাতদন্ত শেষে বুধবার দুপুরে রকির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর ও আছর নামাজ পরে জানাজা শেষে তার মরদেহ শহরের বাড়ি বৃন্দাবন পাড়াতে দাফন করা হয়।
তিনি ফাঁপোর মন্ডলপাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে এবং তিনি আসন্ন ফাঁপোর ইউপিতে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ছিলেন।
কোম্পানি কমান্ডার আরও জানান, গ্রেফতার হওয়াদের মধ্যে মামলায় ৪ জন এজাহারভুক্ত আছেন ও ৩ জন আছেন এজাহার ছাড়া তবে ঘটনায় সরাসরি জড়িত। তাদের সবাইকে বগুড়া সদর থানা হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close