স্থানীয় খবর

ধুনটে বারো গ্রামের মানুষের যাতায়াতে গফুরের ঘাটে ভরসা বাঁশের সাঁকো

Spread the love

ধুনট(বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার ধুনট উপজেলায় ১২ গ্রামের মানুষের যাতায়াতের ভরসা এখন বাঁশের সাঁকো। উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী হেউটনগর গ্রামের ভিতর দিয়ে বহমান বাঙালী নদীতে গফুরের ঘাটে ২ উপজেলার ১২ গ্রামের প্রায় দৈনিক ৩ হাজার লোকজন যাতায়াত করে। ধুনট উপজেলা থেকে বগুড়া জেলা সদরে যাতায়াতে খুব সহজ রাস্তার মাঝে রয়েছে এ ঘাট। গ্রাম গুলো হলো ধুনট উপজেলার হেউট নগর, কোদলা পাড়া, ঈশ্বরঘাট, হাসোখালী, শাজাহানপুর উপজেলার শৈলধুকরী, বুড়িরভিটা, পলিপলাশ, রাধা নগর, নগর, শিপপুর, ভাবানীপুর, রামপুর।
স্থানীয়রা জানান, গফুরের ঘাট শাজাহানপুর উপজেলা ও ধুনট উপজেলার সীমান্তবর্তী বাঙালী নদীতে পারাপার হওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় পার্শ্ববর্তী এলকাবাসীর। বর্ষাকালে নদীতে পানি বেশি থাকলে নৌকা দিয়ে পারাপার হতে হয়। আবার শুকনো মৌসুমে নদীতে পানি কমে গেলে বাঁশের সাকো দিয়ে পারাপার হতে হয়। ঘাটের ২ পাশ্বের গ্রামের মানুষের একমাত্র যাতায়াতের পথ গফুরের ঘাট পারাপার হতে হয়। ফসলি জমি ফসল ফলিয়ে ঘরে তুলতেও বেগ পোহাতে হয় কৃষকদের। শিার্থীদের পড়াশোনারও ব্যাঘাত ঘটে। সময় নষ্ট হয় বর্ষকালে নৌকা পারাপারের সময়। জেলা সদর বা বড় হাটবাজরে ফসল বিক্রি করতে না পারায় ন্যায্য মূল্য বঞ্চিত কৃষক।
শাহজাহানপুর উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম টমেটো জানান, আমাদের ও পার্শ্ববর্তী ধুনট উপজেলার মানুষের একমাত্র যাতায়াতের পথ গফুরের ঘাট। এই ঘাট দিয়ে পারাপার হয়ে খুব সহজে ধুনট উপজেলায় যেতে পারি। এছাড়াও ঘাটের ২ পারের লোকজনের কৃষি জমির ফসল ফলানো, শিার্থীদের যাতায়াতের সহজ পথ এটি। যদি একটি ব্রিজ হতো তাহলে ১২ গ্রামের মানুষের দুভোর্গ লাঘোব হতো।
হেউটনগর গ্রামের কৃষক আজিজার রহমান জানান, আমাদের অধিকাংশই ফসলি জমি নদীর পশ্চিম পার্শ্বে। বাঙ্গালী নদীতে ব্রীজ না থাকায় আমাদের বর্ষা মৌসুমে নৌকা ও শুকনো মৌসুমে বাঁশের সাকো দিয়ে পারাপার হতে হয়। মাঠে ফসল ফলিয়ে ঘরে আনতে অনেক কষ্ট হয়। এছাড়ও নদীতে ব্রীজ না থাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় ফসলের ন্যায্য মূল্যে থেকে আমরা বঞ্চিত। তাই সরকারের কাছে আমাদের গফুরের ঘাটে অতি তারাতরি ব্রিজ নির্মাণ করার দাবি।
কালেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম ফটিক বলেন, সীমান্তবর্তী বাঙালী নদীর ২ পারের মানুষের দুর্ভোগ দুর করতে উর্দ্ধতন কর্মকর্তার সাথে কথা বলে ব্রিজ নির্মানের পদপে গ্রহণ করা হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close