বিদেশের খবর

জাতিসংঘে আরেকটি কূটনৈতিক সাফল্য পেল বাংলাদেশ

Spread the love

শেরপুর ডেস্ক: জাতিসংঘে আরও এক গুরুত্বপূর্ণ কুটনৈতিক সাফল্য পেল বাংলাদেশ। তিনমাস আগে ‘প্রাকৃতিক উদ্ভিজ্জ তন্তু ও টেকসই উন্নয়ন’ শিরোনামে পাটসহ প্রাকৃতিক তন্তু ব্যবহার বিষয়ক যে নতুন রেজুলেশন বাংলাদেশের প থেকে উত্থাপন করা হয়েছিলো তা সম্প্রতি গ্রহণ করেছে জাতিসংঘ। এর ফলে পাট ও পাটজাত পণ্যের চাহিদা বৈশ্বিক বাজারে বৃদ্ধি পাবে। পাট ও এ থেকে তৈ পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি বাড়বে। সেইসঙ্গে বাংলাদেশের পাটচাষী ও পাট ব্যবসায়ীরা এসব পণ্যের নায্যমূল্য পাবেন।
জাতিসংঘের চলতি ৭৪তম সাধারণ পরিষদের কমিটিতে সর্বসম্মতিক্রমে রেজুলেশনটি গৃহীত হয়। এর আগে বাংলাদেশ এ বছরের সেপ্টেম্বর মাসে রেজুলেশনটি দ্বিতীয় কমিটিতে উত্থাপন করে। সমঝোতার প-েবিপরে মতামতসমূহকে বিবেচনায় নিয়ে অবশেষে বাংলাদেশ টানা প্রায় ৩ মাস সকল সদস্য রাষ্ট্রসমূহকে এই রেজুলেশন গ্রহণের পে আনতে সম হয়। ভারত, চীন, রাশিয়া, আয়ারল্যান্ড, কানাডা, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, তুরস্ক, মিশর, নাইজেরিয়াসহ ৬৮টি দেশ রেজুলেশনটিকে কো-স্পন্সর করে।
এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম রেজুশেলন যেখানে অর্থনৈতিক ও পরিবেশগতগতভাবে টেকসই এবং সামাজিকভাবে লাভজনক কৃষিপণ্য পাট ও অন্যান্য প্রাকৃতিক তন্তুর চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবতা তুলে ধরা হয়েছে। টেকসই উন্নয়ন ল্যসমূহ অর্জনে প্রাথমিকভাবে রেজুলেশনটিতে পাট এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক তন্তু যেমন অ্যাবাকা, কয়ার, কেনাফ, সিসাল, হেম্প ও রামি এর ব্যবহার ও উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে যা এতদিন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে প্রায় অজানাই ছিল।
রেজুলেশনটি গ্রহণের সময় প্রদত্ত বক্তব্যে জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কৃষিখাতে আমূল পরিবর্তন আনতে সাহসী ও বাস্তবভিত্তিক নীতি-কর্মসূচি গ্রহণ করেছে, গ্রামীণ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েছে, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মতায়িত করেছে, ুদ্র কৃষিজীবি ও ুদ্র উদ্যোক্তাদের সুরতি করেছে। আর এই প্রোপট বিবেচনা করেই প্রাকৃতিক তন্তুসমূহ বিশেষ করে বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত দ্রব্যসমূহের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত উপকারিতা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরে জাতিসংঘে রেজুলেশনটি উত্থাপন ও গ্রহণের েেত্র নেতৃত্ব দিল বাংলাদেশ।
এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের তিনি আরও বলেন, আমাদের ল্য ছিল আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মে পাট ও পাট জাত দ্রব্যের ব্যবহারের বিষয়টি তুলে ধরা। সকল দেশকে এেেত্র একীভূত করতে অন্যান্য প্রাকৃতিক তন্তুগুলোকেও আমরা নিয়ে এসেছি। প্রথমবারের মতো এ ধরণের রেজুলেশন পাশ করাতে এই আন্তর্জাতিক সমর্থন আমাদের প্রয়োজন ছিল।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close