স্থানীয় খবর

বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি পদে দূর্দিনের কান্ডারী মজনু এগিয়ে

Spread the love

“মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু”
বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি পদে আওয়ামী লীগের দূর্দিনের কান্ডারী আলহাজ্ব মজিবর রহমান মজনু তৃণমূলের নেতা কর্মীদের কাছে অনেক এগিয়ে রয়েছেন। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের হাত ধরে যার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু তিনি আজ অবধি অনেক চরাই উৎরাই পার করে বর্তমানে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিয়ে তৃণমূলের নেতা কর্মীদের এক নৌকায় তুলে শক্ত হাতে নৌকার হাল ধরেছেন।
রাজনৈতিক জীবনে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে বার বার ধৈর্যের পরীার সম্মুখীন হয়েছেন তিনি। কিন্তু কখনো নিরাশ হননি, হননি কখনো দলের অবাধ্য। ধৈর্যের পরীায় তিনি বারবার জয়ী হয়েছেন। তৃণমূলের নেতা কর্মীদের সঙ্গে তার যেন একটা আতœার মিল রয়েছে। কীন ইমেজের নেতা তৃণমূলের ভালোবাসার হৃদয়ের স্পন্দন হিসেবেই তিনি বেশি পরিচিত। আলহাজ্ব মজিবর রহমান মজনু’র রাজনৈতিক ইতিহাস অনেক দীর্ঘ। ৫১ বছরের রাজনৈতিক জীবনে ধৈর্যশীলের পরীায় তিনি জয়ী হয়েছেন বারবারই। নেই কোন হিংসা , নেই কোন মতার দাপট , অত্যন্ত সাদা মনের একটা মানুষ তিনি।
১৯৬৮ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ শেরপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭২-১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ শেরপুর উপজেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দলকে শক্তিশালী করার লে নিরলস কাজ করেছেন এবং শেরপুর কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত জিএস হিসাবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে তার অবস্থান তৈরী করে নেন।
১৯৭৫ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যার পরবর্তি সময় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কে সুসংগঠিত করার লে শেরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নেতৃত্ব গুনে তিনি সকলের হৃদয়ে জায়গা গড়ে নেন, ১৯৭৭ সালে তিনি শেরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে দল কে শক্তশালী করার লে তৃণমূলের নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে কাজ শুরু করেন। ১৯৮৬ সালে শেরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং ১৯৮৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত (৩বার) বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৪ পর্যন্ত বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০০৪ সালে সম্মেলনে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
আলহাজ্ব মজিবর রহমান মজনু’র জনপ্রিয়তা সকলের হৃদয় কে আকৃষ্ট করেছিলো যার ফলে ১৯৮০ থেকে ২০০৪ পর্যন্ত শেরপুর পৌরসভায় ৪ বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে ৩য় শ্রেনীর শেরপুর পৌরসভাকে প্রথম শ্রেনীতে উন্নিত করেন। ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত শেরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়ে নিরলস ভাবে তার দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। ২০১৪ সালে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে পুনরায় তিনি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং ২০১৯ সালে শেরপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্ব›িদ্বতায় জয়লাভ করেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন কে সামনে রেখে প্রতিটি জেলায় সম্মেলনে তারিখ ঘোষণা করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় আগামী ৭ ডিসেম্বর বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। বগুড়ায় আওয়ামী লীগের দূর্দিনের কান্ডারী আলহাজ্ব মজিবর রহমান মজনু তৃণমূলের নেতাকর্মীদের আহবানে সারা দিয়ে আগামী ৭ ডিসেম্বর বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের নাম ঘোষণা করেছেন। বগুড়ায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দল পুনর্গঠনের েেত্র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বেশ কয়েকজন নেতার নাম আলোচনায় এসেছে। তারা হলেন- বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. মকবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মজিবর রহমান মজনু, দুই সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম মন্টু ও অ্যাডভোকেট মকবুল হোসেন মুকুল এবং তিন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে রাগেবুল আহসান রিপু, টি. জামান নিকেতা ও মঞ্জুরুল আলম মোহন। এর বাইরে আরোও যাদের নাম আলোচনায় রয়েছে তারা হলেন জেলা আওয়ামী লীগের প্রয়াত সভাপতি আলহাজ্ব মমতাজ উদ্দিনের ছোট ছেলে ব্যবসায়ী মাসুদুর রহমান মিলন, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আছাদুর রহমান দুলু প্রমুখ। বগুড়ার আওয়ামী পরিবারের অভিভাবক ১৯৯৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় চব্বিশ বছর বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মমতাজ উদ্দিন সাথে একনিষ্ঠ ভাবে সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন আলহাজ্ব মজিবর রহমান মজনু। তৃণমূলের ভালোবাসা আর বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে দীর্ঘ ৫১ বছরের রাজনৈতিক জীবনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে সব সময় শক্তিশালী করার লে নিরলস ভাবে কাজ করেছেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বগুড়া জেলা কমিটির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মজিবর রহমান মজনু বলেন, দীর্ঘদিন সাধারণ সম্পাদকের পালন করেছি, এখন যদি দলের নেতা-কর্মীরা আমাকে সভাপতির দায়িত্ব দেন তাহলে আমি তা নিতে প্রস্তুত আছি এবং সবার মতামতের ভিত্তিতে দলকে আরও সুসংগঠিত করার চেষ্টা করে যাব। বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে বুকে ধারণ করে দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে তার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নের লক্ষে সন্ত্রাস জঙ্গীবাদ দুর্নীতি দূর করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি এবং আগামীদিনেও করবো। দলকে সুসংগঠিত করার জন্য বগুড়ার এপ্রান্ত থেকে ও প্রান্ত পর্যন্ত রাত দিন মিটিং মিছিল সমাবেশ করেছি। দলের ত্যাগী নেতা কর্মীদের পাশে ছিলাম আছি এবং থাকবো। তৃণমূলের নেতা কর্মী সহ দলীয় প্রধান মাননীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা যদি চান তাহলে আমি প্রস্তুত আছি। দলীয় প্রধানের নির্দেশের বাহিরে কখনো যায়নি এবং আগামী দিনেও যাবোনা।
বগুড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলার আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতা কর্মীদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে আগামী ৭ ডিসেম্বর বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি পদে একাধিক প্রার্থীর নাম শোনা গেলেও আলহাজ্ব মজিবর রহমান মজনু’র বিকল্প কেউ নেই। আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতা কর্মীদের ভাষায় সভাপতি পদে আলহাজ্ব মজিবর রহমান মজনু অন্য প্রার্থীদের তুলনায় অনেক এগিয়ে রয়েছেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close