স্থানীয় খবর

সারিয়াকান্দিতে আমন ধানের ভালো ফলনে খুশী কৃষকরা

Spread the love

সারিয়াকান্দি (বগুড়া) প্রতিনিধি
বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে প্রতিকুল আবহাওয়ার পরেও আমন ধানের ল্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা আমন ধান চাষিদের। পোকামাকড় ও রোগবালাই কম হওয়ায় নতুন জাতের আমন ধানের ফলন ভালো হয়েছে এই উপজেলায়।
কৃষকরা জানান, যেহেতু সরকার গত বছরের ন্যায় এবারো মাঠ থেকে সরাসরি কৃষকের নিকট থেকে ধান ক্রয় করছে তাই তারা ভালো দাম পাবে এমনটাই তাদের আশা। ইতোমধ্যে উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে ধান কাটা ও মাড়াই শুরু হয়েছে। কৃষকরা ব্যাস্ত সময় পার করছেন ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজে।
সারিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এবার সারিয়াকান্দিতে ১২ হাজার ৭৪০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাাতের আমন ধান চাষ হয়েছে। এখানে লমাত্রা ছিলো ১১ হাজার ২৫০ হেক্টর। লমাত্রার থেকে ১হাজার ৪৯০ হেক্টর জমিতে অতিরিক্ত চাষ করা হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রয় ৫ হাজার হেক্টর জমির ধান ইতিমধ্যে কাটা সম্পুর্ন হয়েছে। গুটিশর্না, বিনা-৭, রঞ্জিত, ব্রি-৪১ এই যাতের ধান চাষের দিকে বেশী আগ্রহ দেখাগেছে কৃষকদের।
উপজেলার হাটফুলবাড়ী, নারচী, কুতুবপুর, ভেলাবাড়ী ও সারিয়াকান্দি সদর ইউনিয়ন এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে এসব ইউনিয়নের চাষিরা ধান কাটা ও মাঠের পাশেই ধান মাড়াইয়ে সময় পার করছেন। তবে এখনও সব জমির ধান কাটা হয়নি।
উপজেলার ফুলবাড়ী গোয়ালবাতান এলাকার কৃষক কুড়েনু প্রামানিক বলেন, ‘আমি জমিতে এবার গুটিসর্ন জাতের ধান চাষ করেছি। গতবারের তুলনায় এবার ভালো ফসল পেয়েছি। এখন ধানের দাম ভালো থাকলে কিছুটা লাভের মুখ দেখতে পারবো। মাঝবাড়ী এলাকার কৃষক জাহার উদ্দিন বলেন- এবারের ফলনে আমি অনেক খুশি। কারন এবার অতিবৃষ্টির কারনে সেচ দিতে কোন টাকা খরচ হয়নি। তবে ব্যাবসায়ীদের সিন্ডিকেট বন্ধ কওে সরকার নিজেই যদি ধান কেনা অব্যাহত রাখে তালে আমার মত হাজারো কৃষকের মুখে হাসি দেখা যাবে। কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল হালিম জানান, এ বছর নতুন জাতের ধানে সমুহের আবাদে ভালো ফলন পাওয়া যাবে আশা করছি। অন্যান্য ধানের তুলনায় শতকরা ২৫ ভাগ বেশি ফলন হবে। গত বছরের মতো এবারও উপজেলায় প্রতি হেক্টরে চাল উৎপাদনের ল্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩.২ মেট্রিক টন। কিন্তু প্রদর্শনী প্লট গুলোর ফলনের হিসাব থেকে দেখা যাচ্ছে, এবার প্রতি হেক্টরে চাল উৎপাদন হবে সাড়ে তিন মেট্রিক টন। এবার পরিমাণ মতো বৃষ্টি হওয়ায় কৃষকদের সেচ খরচ কম হয়েছে। পাশাপাশি রোগবালাই ও পোকামাকড় উপদ্রব কম থাকায় ফলন ভালো হয়েছে আমাদের উপজেলায়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close