স্থানীয় খবর

শেরপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মার্কেট ও বসতবাড়ি নির্মাণে বাধা দেয়ার অভিযোগ

Spread the love

ষ্টাফ রির্পোটার: বগুড়ার শেরপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মার্কেট ও বসতবাড়ি নির্মাণে বাধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এমনকি প্রতিপক্ষের ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের নানা হুমকি-ধামকি অব্যাহত থাকায় চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিনাতিপাত করছেন বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারটি। শুক্রবার বিকালে শেরপুর প্রেসকাব কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে লিখিত বক্তৃতায় ভূমিদস্যুদের হাত থেকে বাঁচার আকুতি জানিয়ে পৌরশহরের রামচন্দ্রপুর পাড়ার মৃত আব্দুল ওয়াহেদ ছেলে এহ্ছানুল হক কবীর বাবু বলেন, শহরের প্রাণকেন্দ্র বাসষ্ট্যান্ড এলাকাস্থ অভিজাত বিপণী বিতাণ উত্তরাপ্লাজা সংলগ্ন ১৪ শতক জায়গা রয়েছে। যা বাবার মৃত্যুর পর ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছি। কিন্তু আমার সৎ মা জয়নব বিবি ও সৎ বাবা আব্দুল মজিদ উক্ত জমির মালিকানা দাবি করে বসেন। এমনকি তারা ভুয়া কাগজপত্রও তৈরী করেন। পরে বিষয়টি নিয়ে আদালতে একাধিক মামলাও হয়। সেসব মামলায় তাদের তৈরী করা ওইসব কাগজপত্র ভুয়া প্রমাণিত হলে আদালত তা বাতিল করে দেন। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে আমার স্বত্তদখলীয় জায়গা অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা চালালে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হয়। এরপরও তারা থেমে যায়নি। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি আমার বিরুদ্ধে আবারও আদালতে মিস আপিল কেস দায়ের করেন। যার নং-৩৩/১১। তবে বিজ্ঞ আদালত আমার প্রতিপরে বিরুদ্ধে ওই জায়গায় অবস্থান না নিতে নিষেধাজ্ঞার আদেশ জারী করেন। যা অদ্যবধি বলবৎ রয়েছে। এরপর আমার স্বত্ত দখলীয় জায়গায় সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করি। কিন্তু প্রতিপক্ষরা পুনরায় ওই সম্পত্তি বেদখল দেয়ার পাঁয়তারা চালাচ্ছে। একইসঙ্গে ভূয়া ও জাল দলিল তৈরী করে জায়গাটি বিক্রয়ের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এহ্ছানুল হক কবীর বাবু অভিযোগ করে বলেন, সম্পুর্ণ অন্যায়ভাবে তার মালিকাধীন জায়গা দখলের পায়তারা চালাচ্ছেন প্রতিপক্ষ ও তার ভাড়াটে লোকজন। এমনকি উক্ত মূল্যবান জায়গায় মার্কেট ও বসতবাড়ি তৈরীর কাজও করতে দিচ্ছেন তারা। স্থানীয় উচ্ছৃঙল ও সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে বাধার সৃষ্টির করছেন। নানামুখি বাধা ও হুমকি-ধামকির কারণে চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিনাতিপাত করছেন তিনি। তাই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ভূমিদস্যুদের কবল থেকে বাঁচতে পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close