জেলার খবর

আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করতে হবে: পুলিশ সুপার

Spread the love

বগুড়া সংবাদদাতা: বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা বিপিএম (বার) বলেছেন, আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের সকল শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করতে হবে সেেেত্র মাদ্রাসা পর্যায়েও যেন কেউ পিছিয়ে না থাকে। ধর্মীয় শিার পাশাপাশি তাদের আত্মবিশ্বাসী হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যমে মেধার বিকাশের জন্য প্রতিটি অঙ্গনেই সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে।
মহান বিজয় দিবস উপল্েয জেলা পুলিশের আয়োজনে বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের পুলিশ লাইন্স স্কুল এন্ড কলেজ অডিটোরিয়ামে প্রথমবারের মতো বড় পরিসরে বগুড়ায় অনুষ্ঠিত মাদ্রাসা পর্যায়ে ছাত্র-ছাত্রীদের হামদ্/না’ত, ক্বিরাত এবং রচনা প্রতিযোগিতা-২০১৯ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপোরোক্ত কথাগুলি বলেন। এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সনাতন চক্রবর্তী, পুলিশ লাইন্স স্কুল এন্ড কলেজের অধ্য শাহাদৎ আলম ঝুনু এবং বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ এস.এম বদিউজ্জামান। বগুড়া সদরের প্রায় অর্ধশতাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে আগত প্রায় ৪ শতাধিক মাদ্রাসা পর্যায়ের শিার্থীরা দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত উক্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। হামদ/না’ত, ক্বিরাত এর পাশাপাশি ২ টি বিভাগে রচনা প্রতিযোগিতারও আয়োজন করেছে জেলা পুলিশ। ক বিভাগের রচনার বিষয় মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ এবং খ বিভাগের বিষয় সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে ইসলামের ভূমিকা যা নিজ হাতে ১ হাজার শব্দের মধ্যে লিখে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে জমা দিতে বলা হয়েছে আগামী ২০ তারিখের মধ্যে।
থানা পর্যায়ে প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ শেষে বাছাই করা প্রতিযোগীদের নিয়ে জেলা পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে সম্ভাব্য আগামী ২০ ডিসেম্বরের পরে জেলা পর্যায়ে মূল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে ১ম থেকে ১০ম পর্যন্ত বিজয়ী প্রতিযোগীদের পুরস্কার এবং সনদপত্র প্রদান করা হবে আর ১ম স্থান অর্জনকারী পাবেন জেলা পুলিশের পে একটি কম্পিউটার। বগুড়া সদর পর্যায়ে অনুষ্ঠিত স্বতস্ফূর্ত দিনব্যাপী ক্বেরাত প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন সহকারী অধ্যাপক কাজী মঞ্জুরুল হক, প্রভাষক মাওলানা আব্দুল হামিদ ও প্রভাষক হারুনার রশিদ এবং হামদ্/না’ত প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন ইসলাম শিার প্রভাষক মোস্তাকিম হোসাইন, প্রভাষক মাহমুদুল হাসান ও মাওলানা আবু তাহের। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, সদরের বিভিন্ন মাদ্রাসা ও শিা প্রতিষ্ঠানের শিকমন্ডলী, আলেম-ওলামাগন, শিার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, মাদ্রাসা পর্যায়ের শিার্থীদের জড়তা কাটিয়ে সামনের সারিতে নিয়ে আসার ল্েয এবং বৈষম্য দূর করে তাদের অংশগ্রহণের অধিকার নিশ্চিতের জন্য জেলা পুলিশের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে বগুড়ার সর্বস্তরের মানুষ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close