স্থানীয় খবর

শেরপুরে মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ছাত্রীকে ধর্ষনের অভিযোগ

Spread the love

ষ্টাফ রির্পোটার: বগুড়ার শেরপুরে মোবাইল ফোনের পরিচয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে ২ বছর ৮ মাস পর বিয়ের প্রলোভন দিয়ে তুলে নিয়ে ধর্ষন করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়ায় শেরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে সিরাজগঞ্জ সদর থানার এক কলেজ ছাত্রী।
রোববার সন্ধ্যায় শেরপুর থানায় হাজির হয়ে ওই ছাত্রী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো. হুমায়ুন কবীরের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের শেখর গ্রামের মো.আব্দুস সালামের পুত্র কথিত প্রেমিক সবুজ মিয়া (২২) এর মোবাইল ফোনের মিস কলের পরিচয়ে বিগত ২ বছর ৮মাস যাবত প্রেমের সম্পর্ক চলে সবুজের সাথে। এরপর দিনের পর দিন মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে সবুজ মিয়া।
গত ১৩ সেপ্টেন্বর সকালে শেরপুর থেকে সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানার কালিয়া কান্দাপাড়া শাহীবাড়ি এলাকায় যায় সবুজ মিয়া। এরপর মোবাইল ফোনে কান্দাপাড়া স্কুল এন্ড কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেনীর ছাত্রী ওই গ্রামের জনৈক বিক্রম হোসেনের কন্যা(১৮)কে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ফুসলিয়ে তুলে নিয়ে আসে শেরপুরের শেখর গ্রামে। দিনভর এদিক সেদিক ঘুরে বেড়ানোর পর বিয়ের আয়োজন চলছে মর্মে ভূল বুঝিয়ে ওই যুবতি মেয়েকে পর পর ২ রাত যাবত ধর্ষন করে সবুজ মিয়া।
অবশেষে গত রোববার সকালে সবুজের পিতা-মাতা সহ নিকট আত্মীয় স্বজনরা ওই কলেজ ছাত্রীকে বিয়ে করে মেনে না নিয়ে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। মেয়েটি তখন বাড়ি যেতে আপত্তি করলে তাকে মারপিট করে সবুজ মিয়া সহ অনেকেই। এরপর মেয়েটি উপায় না পেয়ে সিরাজগঞ্জ তার বাড়িতে ফোনে যোগাযোগ করে ঘটনা খুলে বলে। রোববার সন্ধ্যায় মেয়েটির নিকট আত্মীয় সহ শেরপুর থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দেয় ওই মেয়েটি।
ধর্ষনের শিকার কলেজ ছাত্রী শেরপুর থানায় হাজির হয়ে জানায়, সবুজ মিয়া তাকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে তুলে নিয়ে এসে ২ রাত ধর্ষন করেছে। এখন সে আর বিয়ে করবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়ে তাকে মারপিট করেছে। কান্না জড়িত কন্ঠে মেয়েটি আরও জানায়, সিরাজগঞ্জ কালিয়া কান্দাপাড়ায় সে তার দাদীর কাছে থাকে। জীবিকার তাগিদে বাবা-মা ঢাকায় গার্মেন্টে চাকরী করেন। এদিকে শেরপুর থানায় দেয়া অভিযোগটি ওসি হুমায়ুন কবীর থানার এস আই আব্দুল গফুরকে তদন্ত করার জন্য দায়িত্ব প্রদান করেছেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close