বিদেশের খবর

পুলিশ-জনতা সংঘাতে দিল্লি রণক্ষেত্র

Spread the love

শেরপুর ডেস্ক: বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনে সংঘাতে আবারো রণেেত্র পরিণত হয়েছে দিল্লির রাজপথ। শিলামপুরে বিােভকারী জনতাকে ল্য করে পুলিশ টিয়ারগ্যাস নিপে করলে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় হাজার হাজার ুব্ধ জনতা পুলিশের ওপর ইটপাটকিল ও কাচের বোতল ছুড়ে মারে। এ সময় শিলামপুর ও গুকুলপুরি মেট্রোরেল বন্ধ হয়ে যায়। বন্ধ হয়ে যায় জাফরাবাদ, মাউজপুর- বাবরপুরের মেট্রো রেল সেবা। সেখানে ২ টি বাসে ভাংচুর চালায় জনতা। গাড়িগুলো ভাংচুর করা হচ্ছে, রাস্তায় ইটের খন্ড স্তুপ হয়ে রয়েছে। রাস্তার পাশে আগুন থেকে অনবরত ধোঁয়া উড়ছে বাতাসে। যুবকদের ছোট ছোট দল ইট আর বোতল ছুড়ছে পুলিশের প্রতি। যাদের কারো কারো আবার মুখ কাপড় দিয়ে ঢাকা। এমতাবস্থায় ভারতের রাজপথ শান্ত হওয়ার কোন লণ দেখা যাচ্ছে না।
গত রবিবার সন্ধ্যায় জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শিার্থীদের একটি প্রতিবাদ মিছিল দিল্লির যন্তরমন্তরের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় বেশ কয়েকটি বাস ও গাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে দেয়ার অভিযোগ ওঠে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে। তবে পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে পুলিশ সদস্যকেই এসব বাসে আগুন দিতে দেখা যায়। এক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি না নিয়েই শিার্থীদের ধাওয়া করে ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়ে পুলিশ। এ সময় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির মধ্যেও কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। তখন অনেক ছাত্রছাত্রী সেখানে পড়াশুনা করছিলেন। তাদের অনেকেই পুলিশের নির্বিচার লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাসে আহত হন। পুলিশ ক্যাম্পাসের শৌচাগারে ঢুকেও শিার্থীদের ইচ্ছেমতো পেটায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিজীবী কর্মীরাও বেধড়ক লাঠিপেটা থেকে রেহাই পাননি। পরে ছাত্রছাত্রীদের মাথার উপরে হাত তুলে লাইন দিয়ে হাঁটিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়া হয়। এ সময় বেশ কয়েকজন শিার্থীকে আটক করলেও শিার্থীদের বিােভের মুখে ভোরে তাদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় পুলিশ।
এদিকে সরকারের এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে নজিরবিহীন বিােভে উত্তাল হয়ে পড়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়। দিল্লির জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে দিল্লির জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় এবং আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের পর এবার বিােভে বেরিয়ে এসেছেন বেঙ্গালুরুর আইআইটি, মুম্বাইয়ের টিআইএসএস এবং বোম্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিার্থীরা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close