দেশের খবর

থার্টিফার্স্টে কোনো বাড়াবাড়ি নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Spread the love

শেরপুর ডেস্ক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানিয়েছেন, ইংরেজি নববর্ষের প্রথম প্রহর উদযাপনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ রাতে যাতে কোনো ধরনের বাড়াবাড়ি ও উচ্ছৃঙ্খলতা না হয়, সে জন্য ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। তিনি বলেন, আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা বাহিনী এরইমধ্যে তথ্য সংগ্রহ করেছে। এই উদযাপনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের থ্রেট বা হুমকি নেই। তবে এ রাতে রাস্তা বন্ধ করে বা অন্যকে কষ্ট দিয়ে যাতে কোনো অনুষ্ঠান না হয়, সে বিষয়ে ব্যবস্থ নেয়া হয়েছে।
একই অনুষ্ঠানে র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ বলেন, থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপনের েেত্র নিরাপত্তাজনিত সব ধরনের প্রস্তুতি র‌্যাবের প থেকে গ্রহণ করা হয়েছে। গুজব ঠেকাতে সোশ্যাল মিডিয়া মনিটরিং করা হবে। নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি বলেন, থার্টিফার্স্ট নাইটের হুমকি অ্যানালাইসিস করা হচ্ছে। মশা ও মাছি ঠেকাতে মশারির চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে যেন মশা-মাছি কোনোভাবে প্রবেশ করতে না পারে। সে ব্যবস্থা আমরা করব।
এ ধরনের দিবস কিংবা অনুষ্ঠান উদযাপনের েেত্র ফেক নিউজ ও গুজব ছড়ানো হয়। সম্মানহানিকর তথ্য প্রচার হয়। এ সব মনিটরিং করা হবে। এটা শুধু আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নয় সবারই খেয়াল রাখা দায়িত্ব।
এ দিকে সোমবার রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে আতশবাজি, পটকাবাজি, বেপরোয়া গাড়ি ও মোটরসাইকেল চালনাসহ যে কোনো ধরনের অশোভন আচরণ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কাল সন্ধ্যা ছয়টার পর বহিরাগত কোনো ব্যক্তি বা যানবাহন প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। নিরাপত্তার স্বার্থে গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকার বাসিন্দাদের রাত আটটার মধ্যে নিজ নিজ এলাকায় চলে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
একই সঙ্গে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় বসবাস করেন না, এমন কাউকে থার্টি ফার্স্ট উপলে সে সব এলাকায় না যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার।
ব্রিফিংয়ে বলা হয়, ঢাকা মহানগরের সার্বিক নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলার স্বার্থে রাস্তার মোড়, ফাইওভার, রাস্তায়, ভবনের ছাদে এবং প্রকাশ্য স্থানে কোনো ধরনের জমায়েত বা সমাবেশ বা উৎসব করা যাবে না। উম্মুক্ত স্থানে নববর্ষ উদযাপন উপলে কোনো ধরনের অনুষ্ঠান বা সমবেত হওয়া যাবে না বা নাচ, গান ও কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা যাবে না।
কোথাও কোনো ধরনের আতশবাজি বা পটকা ফোটানো যাবে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সন্ধ্যা ছয়টার পর বহিরাগত কোনো ব্যক্তি বা যানবাহন প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় বসবাসরত শিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের গাড়ি নির্ধারিত সময়ের পর পরিচয় দেয়াসাপেে নীলতে এবং শাহবাগ ক্রসিং দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে।
এ সব নির্দেশ মেনে না চললে ডিএমপি পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে। ডিএমপি কমিশনার যে কোনো অনাকাঙ্তি পরিস্থিতিতে নগরবাসীকে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের সাহায্য নেয়ার পরামর্শ দেন। তিনি কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের সহায়তা করার জন্য নগরবাসীর প্রতিও আহ্বান জানান।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close