দেশের খবর

পুলিশ না পেলেও র‌্যাব পেয়েছে মাদক ও টাকা

Spread the love

শেরপুর ডেস্ক: পুলিশ কিছু না পেলেও ফু-ওয়াং কাবে অভিযান চালিয়ে র‌্যাব বিপুল মাদক ও সাত লাখ টাকা পেয়েছে। কাবটি থেকে মাদক বিক্রি সহ অবৈধ কর্মকান্ডে জড়িত থাকার দায়ে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। এমন ঘটনায় কাবটিতে পুলিশ ও র‌্যাবের চালানো অভিযান নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে জুয়ার বড় আসর হিসেবে পরিচিত ক্যাসিনো চালানোর সঙ্গে জড়িত পনেরো নেপালীকে পালাতে সহায়তা করায় দুই পুলিশ বরখাস্ত হয়েছে। এছাড়া গডফাদার ঠিকাদার হিসেবে পরিচিত গ্রেফতারকৃত জি কে শামীমের সাত দেহরীকে মানিলন্ডারিং মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
ফু-ওয়াং কাবে পুলিশের পর র‌্যাবের অভিযান নিয়ে নানা আলোচনা ॥ গত ২৩ সেপ্টেম্বর বিকেলে ঢাকার গুলশান লিঙ্ক রোডে অবস্থিত ফু-ওয়াং কাবে অভিযান চালায় পুলিশ। ক্যাসিনো, জুয়া, হাউজি ও মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে কাবটিতে অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযান শেষে ঢাকা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আবদুল আল মামুন জানিয়েছিলেন, কাবটিতে অবৈধ কোন কিছু পাওয়া যায়নি। কাবে একটি বার থাকলেও তার লাইসেন্স আছে। কাবটির ম্যানেজার মোঃ শামীম বিল্লাহও দাবি করেছিলেন, কাবটিতে অবৈধ কোন কিছুই নেই। বিশেষ করে ক্যাসিনো বা জুয়ার কোন আসর নেই। এমনকি বসেও না।
গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে পুলিশের অভিযানের এক দিন পরেই কাবটি ঘিরে রাখে র‌্যাব-১। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে কাবটির ভেতরে অভিযান চালায় তারা। র‌্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুর রহমান ও নিজাম উদ্দিনের উপস্থিতিতে অভিযান চালায় র‌্যাব। প্রায় বারো ঘণ্টার অভিযান শেষে কাবটি সিলগালা করে দেয়া হয়।
দুপুর বারোটার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের লিগ্যাল এ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক ও র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মোঃ সারওয়ার-বিন-কাশেম জানান, কাবটি থেকে দুই হাজার বোতল বিদেশী মদ, দশ হাজার ক্যান হান্টার বিয়ার জব্দ হয়। কাবটি থেকে মাদক বিক্রির অভিযোগে জাহিদ, জেভিয়ার জেরি ডি কস্টা ও চঞ্চল নামের তিন কর্মচারীকে আটক করা হয়েছে। জব্দ করা মদের মধ্যে শতকরা তিন ভাগ অবৈধভাবে আমদানি করা হয়েছে। আর জব্দ বিয়ারের অর্ধেকই অনুমোদনহীন। কাবটিতে বেআইনীভাবে মাদক বিক্রি হতো।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
Close