স্বাস্থ্য কথা

মিষ্টি কুমড়োর পুষ্টিগুণ

Spread the love

শেরপুর ডেস্ক: সুস্বাদু মিষ্টি কুমড়া অনেকেরই খুব প্রিয়। এ সবজিতে ভিটামিন-এ, বি-কমপ্লেক্স, সি, ই, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, জিংক, ফ্লেভনয়েড পলি-ফেনলিক উপাদান সমূহ ছাড়াও দেহের নানারকমের পুষ্টির যোগান দিয়ে থাকে।
জেনে নিন কুমড়োর স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে-
ওজন কমায়:
মিষ্টি কুমড়োর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকলেও, খুব কম পরিমাণে রয়েছে ক্যালরি। এক কাপ কুমড়োর মধ্যে ৫০-এর থেকেও কম ক্যালরি থাকে। তাই এই সবজিটি খেলে ওজন বাড়ার কোন আশঙ্কা থাকে না। কুমড়োতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা আমাদের হজম প্রক্রিয়াকে খুব ধীরে ধীরে সম্পন্ন করে। ফলে অল্প দিনেই ওজন কমতে শুরু করে।
দৃষ্টিশক্তির বাড়ায়:
মিষ্টি কুমড়োর মধ্যে বিটা ক্যারোটিন থাকে। আর কুমড়ো খাদ্য হিসাবে গ্রহণ করার পর সেই বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ-তে পরিবর্তিত হয়ে যায়। আর ভিটামিন ‘এ’ চোখের জন্য খুবই উপকারী। এছাড়া কুমড়োর মধ্যে লুটেইন এবং জিক্সান্থিন নামক দুটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও উপস্থিত রয়েছে, যা ছানির সমস্যাকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়:

মিষ্টি কুমড়ো খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। একটি কুমড়োর মধ্যে প্রায় ২০ শতাংশ ভিটামিন সি থাকে, যার ফলে এটি খেলে ঠাণ্ডা লাগা বা সর্দি লাগার হাত থেকে দ্রুত নিষ্কৃতি পাওয়া সম্ভব হয়।
ক্যান্সারের প্রবণতা কমায়:
নিয়ম করে কুমড়ো খেলে বিশেষ ধরণের কয়েকটি ক্যান্সার খুব সহজেই প্রতিরোধ করা যায়। যেমন- প্রোস্টেট এবং ফুসফুসের ক্যান্সার। এছাড়া মিষ্টি কুমড়োর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি উপস্থিত থাকায়, এটি কোষেদের ক্ষত সারাতেও সহয়তা করে।
ডায়াবেটিসের প্রকোপ কমায়:
মিষ্টি কুমড়ো রক্তে শর্করার মাত্রা যাতে বৃদ্ধি না পায়, সেদিকে নজর রাখে। সেই সঙ্গে ইনসুলিন উৎপাদনও বাড়ায়। ফলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে। যদিও ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীরা নির্ভয়ে মিষ্টি কুমড়ো খেতে পারেন। এই সবজিটি এমন রোগীদের শরীরে কোন কুপ্রভাব ফেলে না বলেই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close