স্বাস্থ্য কথা

করোনা ভাইরাসের নানা অজানা তথ্য

Spread the love

আজকের শেরপুর ডেস্ক: করোনা ভাইরাস, এখন আতঙ্কের সর্মাথক৷ চুলের থেকেও প্রায় ৯০০ গুণ সূক্ষ এবং অত্যন্ত সংক্রামক এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে মানবদেহে৷
নতুন এই ভাইরাস নিয়ে মানুষের মধ্যে এখন প্রবল ভীতি, উৎকন্ঠা৷ বিশেষজ্ঞরাও প্রতিনিয়ত বোঝার চেষ্টা করছেন যে, কীভাবে এই ভাইরাস সংক্রামিত হচ্ছে এক শরীর থেকে অন্য শরীরে৷ সাধারণের মনে জন্ম নিয়েছে হাজারো প্রশ্ন৷ কী এই করোনা ভাইরাস? কীভাবে করোনা ভাইরাসে করাল গ্রাস থেকে বাঁচতে হবে৷ করোনা ভাইরাস নিয়ে কয়েক’টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানুন যা সবারই জেনে রাখা ভাল।
-করোনা ভাইরাস আক্রান্ত কোন ব্যক্তির সংস্পর্শে আসলে কী অসুস্থ হয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে?
বিশেষজ্ঞদের মতে চারটি ফ্যাক্টর কাজ করছে এথানে৷ প্রথমত, আক্রান্তের কত’টা কাছে কেউ আসছে?, দ্বিতীয়ত, কত’টা সময় সে থাকছে, তৃতীয়ত, নিজের মুখে সে কতবার হাত দিচ্ছে, চতুর্থ এবং অত্যন্ত গুরুত্বর্পূণ বিষয় এখানে বয়স এবং স্বাস্থ্য৷
-করোনা ভাইরাস আক্রান্তের থেকে কত’টা দূরত্ব বজায় রাখা উচিত?
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মুখপাত্র ক্রিশ্চিয়ান লিন্ডমেয়ারের মতে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির থেকে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখলে ভাল৷ অন্যদিকে আবার দ্য সেন্টার্স ফর ডিসিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন বলছে ৬ ফুটের দূরত্ব বজায় রাখলেও ঝুঁকি থেকে যায়৷
-ভাইরাল ড্রপলেট কী?
এটি একটি ভাইরাল কণা সমৃদ্ধ ড্রপলেট৷ একটি ভাইরাস অত্যন্ত ক্ষুদ্র “কোডিপেনডেন্ট মাইক্রোব” যেটি একটি কোষকে আকৃষ্ট করে৷ সেখান থেকে কোষান্তর হয়৷ এটাই ভাইরাসের জীবনধারা৷ এমনটাই বলছেন কর্নেল ইউনির্ভাসিটি কলেজ অফ ভেটেনারি মেডিসিনের ভাইরোলজি অধ্যাপক গ্যারি হুইটাকার৷ “নেকেড” ভাইরাস মিউকাস বা স্যালাইভার ড্রপলেট ছাড়া কোথাও যেতে পারে না৷ হংকংয়ের জকি ক্লাব স্কুল অফ পাবলিক হেলথ অ্যান্ড প্রাইমারি কেয়ারের অধ্যাপক কিন-অন-কুকের এমনটাই মত৷
-এই ভাইরাল ড্রপলেট কীভাবে আসে?
এরকম মিউকাস ও স্যালাইভা ড্রপলেট মুথ এবং নাক থেকে নিঃসৃত হয়৷ সেটার মাধ্যম কাশি, হাঁচি এবং হাসি হতে পারে৷ এমনকী গান গাওয়া, শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া ও কথা বলার মাধ্যমেও তা হতে পারে৷
-করোনা ভাইরাসের লক্ষ্মণ গুলি কী?কী?
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই লক্ষ্য করা গিয়েছে যে, করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের কাশি এবং জ্বর হয়েছে৷ আবার এমনও উদাহরণ আছে যে, আক্রান্তরা আদৌ অসুস্থ হননি৷ শ্বাসজনিত সংক্রামক ভাইরাসটির পোশাকি নাম ঈঙঠওউ-১৯৷ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে যাঁরা করোনা ভাইরাস ছড়িয়েছে তারা অবধারিত ভাবেই অসুস্থ হয়েছে৷
– আশেপাশের কাউকে কাশতে দেখলে কি চিন্তিত হওয়ার কারণ রয়েছে?
এরকম কোনও প্রমাণ নেই যে, ভাইরাল কণা দেওয়াল কিম্বা গ্লাসের মধ্যে দিয়ে যেতে পারে৷ কিন্তু আক্রান্ত পড়শির হাঁচি যদি কোনও রেলিং বা দ্রব্যের ওপর এসে পড়ে এবং সেই জায়গা র্স্পশ করলে সম্ভাবনা থেকেই যায়৷ যে ঘরের মধ্যে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল রয়েছে, সেই ঘরের থেকে সাধারণ খোলা জায়গা অনেক বেশি ভয়ের করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার৷
– করোন ভাইরাস আক্রান্তদের সঙ্গে কি খাওয়া-দাওয়া করা সুরক্ষিত?
যদি কোনও করোনা ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তি খাবার র্স্পশ করে, বা অনেকে একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করে সেক্ষেত্রে ঝুঁকি উড়িয়ে দেওয়া যায় না৷ কিন্তু খাবার বারবার গরম করে খেলে ভাইরাস মরে যায়৷ আর এখনও পর্যন্ত খাবারের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণের দৃষ্টান্ত নেই৷

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
Close